পুনর্জন্ম (পঞ্চশক্তি ও নাগমণি) — পর্ব ২০
লেখক: রিয়াদ ইসলাম আযান · বিভাগ: সিজন সিরিজ · পর্ব ২০ · ৩০ পর্বের মধ্যে ২০
আম্মি চলে যাওয়ার পর ভাবতে থাকি, কাল আম্মির কাছে সব সত্যি কথা খুলে বলবো-
- বলে দিবো যে আমার মধ্যে পঞ্চশক্তি জাগ্রত হয়েছে, এবং আমিই তাইমনকে হত্যা করেছি আর আমাকে বাঁচানোর জন্যই রুহানি নিজের জীবন দিয়েছে।
- এই সত্যিগুলো আর নিজের মধ্যে চেপে রাখতে পারবো নাহ, এবার এগুলো আম্মির কাছে বলবো।
- তাছাড়া আম্মি আর হাসমি ভাইয়া তোহ বলেছে তারা আমার পাশে ছিলো, আছে, আর সবসময় থাকবে। তাদের উপর আমার বিশ্বাস আছে।
- আমি জানি তারা এসব শুনেও আমাকে সাপোর্ট করবে কারণ আমি ভুল কিছু করিনি।
হঠাৎ করে আমার রুমে সাক্ষী এসে হাজির......
সাক্ষী:- চিশতি.! চন্দ্রা.! কোন নামে ডাকবো তোমাকে.?
চিশতি:- যেহেতু এই জন্মে আমার পরিচয় চিশতি সেক্ষেত্রে চিশতি নামেই ডাকতে পারো।
সাক্ষী:- ঠিক আছে তবে তাই হবে, তোমার জন্য সতর্ক বার্তা নিয়ে এসেছি.!
চিশতি:- যেমন.?
সাক্ষী:- আমি অনুভব করতে পারছি আগামীতে তোমার বিপদ হতে পারে তাই সাবধানে থেকো, তাছাড়া তোমার সামনে এখন ২জন কালো জাদুকরের আসল সত্যি প্রকাশ ঘটেছে তারা এখন নানান ভাবে তোমার ক্ষতি করতে চাইবে, তোমার কাছ থেকে পঞ্চশক্তি দখল করতে চাইবে, এমনকি তোমাকে তিলে তিলে শেষ করতে চাইবে কিন্তু তোমার ওদেরকে শক্তি দিয়ে নয় বুদ্ধি দিয়ে হারাতে হবে।
আর মনে রেখো ওরা এক এক করে নিজের আত্মপ্রকাশ করবে কারণ ওরা সবাই জানতে পেরে গেছে তোমার মধ্যে পঞ্চশক্তি জাগ্রত হয়েছে।
ওরা যদি নিজেদের আত্মপ্রকাশ নাহ করে তোমাকে বুদ্ধি খাঁটিয়ে ওই ২ জনের মাধ্যমে বাকি ৮জনের কাছে যেতে হবে।
চিশতি:- বুঝতে পেরেছি, কিন্তু সাক্ষী আমার একটা প্রশ্ন আছে..?
সাক্ষী:- হ্যাঁ বলো..?
চিশতি:- আমি তোহ আগের জন্মেও পঞ্চশক্তি প্রয়োগ করিনি আর এই জন্মেও পঞ্চশক্তি প্রয়োগ করিনি, এটা কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে বা এটা যখন আমি প্রয়োগ করবো তখন আমার রূপ কেমন হবে দেখতে কারণ আমি তারা মায়ের কাছে শুনেছিলাম উনি যখন এই শক্তি প্রয়োগ করতো তখন তিনি মানুষ থেকে এক অদ্ভুত প্রাণীতে রূপান্তরিত হতো, যেখানে ৫ ধরনের রূপ ছিলো, ডাইনীর চুল, পরীর ডানা, মৎস্যলেজ, মাথায় হাজারটারও বেশি সাপ আর শরীর মানুষের মতো।
তাহলে কি আমি যখন এই শক্তি প্রয়োগ করবো তখন আমাকেও এমন দেখতে লাগবে..?
সাক্ষী:- সময় হলে তুমি ঠিকই তোমার শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে, তুমি চাইলে যেকোনো সময় এই শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে শুধু তোমার রাগ আর ইচ্ছা প্রবনতাই এই শক্তিকে তোমার শরীরে আবির্ভূত করতে পারে।
আর এই শক্তি ৩৩ কোটি বছর পুরনো শক্তি তখনকার শক্তিরূপের সাথে এই যুগের শক্তিরূপের অনেকটা তফাৎ হতে পারে হয়তো আগের শক্তিরূপের চেয়েও বেশি ভয়ংকর রুপ ধারণ করবে আর নয়তো আরো সাধারণ রূপ।
সেটা তুমি তখনই বুঝতে পারবে যখন এই শক্তিকে নিজের মধ্যে আহ্বান করবে।
আমার মনে হচ্ছে তুমি এখনো এই শক্তিকে মন থেকে গ্রহণ করোনি..?
চিশতি:- আমি মন থেকেই গ্রহণ করেছি.! আপনি ভুলে গেলেন ওইদিন আমার উপাসনা শক্তি নিজে থেকে জাগ্রত হয়েছে.? আমি তোহ জানতামই নাহ যে আমার উপাসনার শক্তি অর্জন করেছি, ওই শক্তি যদি নিজে থেকে আমার মধ্যে আসতে পারে তাহলে পঞ্চশক্তি কেনো পারবে নাহ..?
সাক্ষী:- ধৈর্য ধরো সব হবে, তোমার উপাসনার ফলে তুমি শুধুমাত্র ব্যাঘ্র হওয়ার শক্তি পেয়েছো আর পঞ্চশক্তির মাধ্যমে পাবে ৫ ধরনের শক্তি।
- সর্প, মৎস্য, দানব, মানব ও দৈব।
শুধু একটু অপেক্ষা করো, তুমি ঠিক ততক্ষণ এই শক্তিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারবে নাহ যতক্ষণ পর্যন্ত নাহ ওই জাদুকরগুলো তোমার উপর আক্রমণ বা ওদের কোনো সয়তানি চাল নাহ চালছে...!
চিশতি:- সাক্ষী! তুমি তোহ ত্রেতাযুগ থেকে কলিযুগ পর্যন্ত জীবিত আছো..?
সাক্ষী:- হ্যাঁ! হঠাৎ এই প্রশ্ন.??
চিশতি:- তাহলে বলতে পারো ওই দশ জাদুকরদের কে হত্যা করেছিলো আর তারা মায়ের কি হয়েছিলো..?
সাক্ষী:- সময় হোক সব জানতে পারবে...
এই বলে সাক্ষী উধাও হয়ে গেলো। আমিও ঘুমিয়ে পরলাম।
সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর থেকে আমার শ্বাস নিতে কেমন একটা কষ্ট হচ্ছিল, ব্যাপারটা তেমন গভীরে নাহ নিয়ে নিজের মতো ব্যস্ত হতে লাগলাম।
দুপুর ১২টার দিকে আম্মু আর আমি কথা বলছিলাম বাসায় তখন কেউই নেই চাচ্চু, ফুফাজি আর কাকিয়া - কাকিয়ার বাপের বাড়ি গেছে এদিকে আব্বু আর হাসমি ভাইয়া কোথায় যেনো বের হয়েছে...
আম্মু:- চিশতি বাবা..?
চিশতি:- হ্যাঁ আম্মি..?
আম্মু:- কি হয়েছে.? কেমন ক্লান্ত দেখাচ্ছে তোমাকে..?
চিশতি:- আসলে আম্মি সকাল থেকে আমার শ্বাস নিতে কেমন কষ্ট হচ্ছে তোমাকে বলবো বলবো ভাবছি কিন্তু বলবা হচ্ছে নাহ...
আম্মু:- কি বলো..? অনেক বেশি কষ্ট হচ্ছে..?
চিশতি:- নাহ তেমন সিরিয়াস নাহ
আম্মু:- হাসমি এলে বলবো তোমাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যেতে
চিশতি:- ওইসবের কোনো দরকার নেই, হয়তো এলার্জির জন্য এমনটা হচ্ছে..!
তখনই দেখলাম হাসমি ভাইয়া কোথা থেকে যেনো ছুটে এসে ওয়াশরুমে যাচ্ছে, কিন্তু সে ওয়াশরুমের দরজার সামনে গিয়েই অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলো, হাত - পা চোখ মুখ কেমন বাঁকিয়ে গেছে মুখ থেকে ফ্যানা বের হচ্ছে।
আম্মি আর আমি দৌড়ে গেলাম ভাইয়ার কাছে, দুইজন ধরাধরি করে ওয়াশরুমের ভিতরে নিয়ে গেলাম মাথায় পানি দিতে, আম্মির কোলে মাথা রেখে আমি ভাইয়ার সারা শরীরে পানি ঢালা শুরু করি কারণ আমার মনে হচ্ছিলো ভাইয়ার প্রেশার ফল করেছে হয়তো সারা শরীরে পানি ঢাললে ভাইয়ার শরীরটা নরমাল হতে পারে।
অন্য দিকে আম্মি অনবরত কান্না করে যাচ্ছে।
আমি আম্মিকে শান্তনা দিয়ে বলি....
চিশতি:- তুমি কান্না করো নাহ, এখন মাথা ঠান্ডা করে কাজ করতে হবে, ভাইয়ার কি এর আগেও কখনো এমন হয়েছিলো..?
আম্মু:- নাহ কখনো এমন হয়নি! ও তোহ একদম সুস্থ সবল একটা মানুষ ছোট থেকে এত বড় হলো কোনোদিন তেমন কোনো অসুখ হয়নি জ্বর ছাড়া আর আজ কি হলো....[কাঁদো কাঁদো গলায়]
চিশতি:- দাঁড়াও, আমি মটর অন করে দিচ্ছি তুমি মটরের পাইপটা দিয়ে ভাইয়ার শরীরে পানি দিতে থাকো..
আম্মু:- তুই কোথায় যাবি..?
চিশতি:- চিত্রা আপুনিকে কল দিবো.
আম্মু:- আগে তোর আব্বুকে কল কর
চিশতি:- আচ্ছা দুইজনকেই কল করছি
আমি ছুটে গিয়ে আব্বুকে কল করে হাসমি ভাইয়ার কথা জানাই, আব্বু বললো উনি গাড়ি নিয়ে বাসায় আসছে...
তারপর চিত্রা আপুনিকেও কল করে সবটা জানাই, চিত্রা আপুনি বললো জিজুকে নিয়ে তারা রওনা হচ্ছে আমরা যেনো ভাইয়াকে নিয়ে ভালো কোনো হসপিটালে যাই।
আর এদিকে আমি এখানকার কিছুই চিনি নাহ, কিভাবে কি করবো..?
আম্মির কান্নার শব্দ শুনে এলাকার কিছু মানুষজন এসে বাড়িঘর ভিড় করে দাড়ালো।
এমন অবস্থায় এত ভিড়ভাড় দেখে কিছুটা রাগ ও বিরক্ত হলেও নিজেকে সামলে নিলাম।
কিছুক্ষণ পর আব্বু গাড়ি নিয়ে চলে আসে আমরা তিন চারজন ধরাধরি করে ভাইয়ার ভেজা জামা কাপড়গুলো খুলে ভালো জামা কাপড় পড়াই তারপর ধরাধরি করে গাড়িতে তুলে হসপিটালের উদ্দেশ্যে রওনা হই।
গাড়িতে উঠার আগে আমি একটা ছোট গামছা আর একটা বড় বোতলে করে পানি নিয়ে নি তারপর ওই গামছাটা ভিজিয়ে ভিজিয়ে ভাইয়ার কাঁধে বার বার প্রেস করে ধরে রাখি।
হসপিটালে এসে পৌছাই প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর।
ভাইয়াকে ইমার্জেন্সি কেবিনে নিয়ে যায়, একটা স্যালাইন দিলো কিছু ঔষধ লিখে দিলো আব্বু নিচে গিয়ে ঔষধগুলো নিয়ে এলো তারপর আবার ভাইয়ার চিকিৎসা শুরু করে।
কিছুক্ষণ পর ডাক্তার এসে বলে..
ডাক্তার:- ওর কিছু পরীক্ষা করাতে হবে নয়তো আমরা ঔষধ দিতে পারবো নাহ...
আব্বু:- কি কি পরীক্ষা করাতে হবে..?
তারপর ডাক্তার একটা প্রেসক্রিপশন দিলো
আব্বু:- পরীক্ষাগুলো যদি এখানে করানো সম্ভব হয় তাহলে এখানেই করিয়ে নিন আমরা একেবারে সব টাকা দিয়ে দিবো দরকার হলে অগ্রীম টাকা রেখে দিন
তারপর আব্বুও সবগুলো পরীক্ষার টাকা অগ্রীমই দিলো, এরপর ডাক্তার ভাইয়াকে নিয়ে গিয়ে সিটি এক্স-রে, ইসিজি, ব্লাড টেস্ট করালো।
সবকিছু পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেখে ডাক্তার বলে...
ডাক্তার:- আপনার ছেলের তোহ কোনো সমস্যাই ধরা পড়েনি, সবকিছু নরমাল আছে।
ও হয়তো কোনো বিষয় নিয়ে একটু বেশি চিন্তা করে এজন্যই এমনটা হয়েছে আর বুদ্ধি করে ওর শরীরে পানি ঢালার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের পেসেন্ট এমন সিচুয়েশনের মুখোমুখি হলে তাদের গার্ডিয়ান বুঝতে পারে নাহ এমতাবস্থায় কি করা উচিৎ তখন অনেক পেসেন্টর ঘাড়ের রগ ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কিন্তু এই সিচুয়েশনে যদি পেসেন্টের শরীরে পানি ঢালা হয় তখন তার৷ শরীরের উচ্চরক্তচাপটা নরমাল ভাবে চলাচল করে যার ফলে পেসেন্টের তেমন কোনো ক্ষতি হয় নাহ।
আবারও ধন্যবাদ জানাই আপনাদের বুদ্ধিমত্তাকে।
পেসেন্ডকে আপাতত ঘুমের ঔষধ দেওয়া হয়েছে জ্ঞান ফিরলেই নিয়ে যেতে পারবেন।
সবকিছুই খাওয়াতে পারবেন কোনো সমস্যা নেই তবে উনাকে টেনশন করতে নাহ করবেন।
আর আমি যে ঔষধগুলো লিখে দিচ্ছি এগুলো টাইম মতো খাওয়াবেন আশা করি সব ঠিক হয়ে যাবে।
ওই সময়গুলোতেও আমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল কিন্তু আব্বুর কাছে বা ডাক্তারের কাছে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার কথা একদমই ভুলে যাই।
তারপর ভাইয়ার জ্ঞান ফিরলে আমরা ভাইয়াকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসি। বাড়ি ফিরে দেখি জিজু আর চিত্রা আপুনি এসে হাজির।
ওদের সাথে কথাবার্তা বলে আমি আমার রুমে চলে এলাম। সময়টা তখন আনুমানিক সন্ধ্যার শেষ হয়ে রাতের কালো অন্ধকার পরতে শুরু করেছে।
বাংলাদেশে এসে আমার অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে, আগে যেমন আমি সময়ের সাথে সাথে আমার যাবতীয় কাজগুলো করতাম কিন্তু এখানে এসে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে।
সারাদিন অনেক ধকল গেলো, আজ গোসলটাও করা হয়নি তাই বাসায় এসেই আগে গোসলটা সেরে নি।
ফ্রেশ হয়ে আব্বু আম্মুর রুমে গেলাম, গিয়ে দেখি সবাই ভাইয়ার সামনে বসে আছে আর ভাইয়া ঘুমিয়ে আছে।
সারাদিন আমারও কিচ্ছু খাওয়া হয়নি তাই চিত্রা আপুনি আমাকে খাইয়ে দেওয়ার জন্য ভাত নিয়ে এলো আমিও মানা করিনি কারণ আমাকে কেউ খাইয়ে দিলে আমারও খুব ভালো লাগে।
চিত্রা আপুনি আমাকে খাইয়ে দিতে শুরু করে আমিও সানন্দে খাচ্ছি। খেতে খেতে হুট করে আমার প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট শুরু হয় মনে হচ্ছিল আমি প্রায় মরেই যাচ্ছি। কিছুক্ষণ পর আবার সবকিছু নরমাল হয়ে যায়।
সবাই চিন্তিত হয়ে পরলো, আম্মু তোহ আমাকে অনবরত বকেই যাচ্ছে "হাসমিকে যখন ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলি তখন তুমি ডাক্তার দেখাসনি কেনো"
আম্মির প্রশ্নের উত্তর দিতেই যাবো তখনই ভাইয়া আবারও দুপুরবেলার মতো হাত পা চোখ মুখ বাঁকিয়ে মুখ দিয়ে ফ্যানা বের হতে থাকে।
আমরা আবারও ভাইয়াকে ধরাধরি করে খাট থেকে নামিয়ে ফ্লোরে শুইয়ে পানি ঢালতে থাকি
কিছুক্ষণ পানি ঢালার পর ভাইয়া আবারও স্বাভাবিক হয়ে যায় কিছুক্ষণেই দুপুরের মতো আবারও বাড়ি ঘরে লোকজন দিয়ে ভিড় হয়ে গেলো।
তাদের মধ্যে একজন মহিলা হঠাৎ করে বলে উঠে...
-- চৈতীর মা কিছু মনে নাহ করলে একটা কথা বলতাম
ফাতিমা:- হ্যাঁ ভাবি বলুন
__ আমার মনে হয় তোমার ছেলেকে জ্বিনে ধরেছে, তুমি বরং একবার সামিদ ভাইকে ডেকে এনে দেখাও
ফাতিমা:- কিন্তু ভাবি ডাক্তার তোহ বললো ও টেনশন করে বলে এমনটা হচ্ছে
-- ডাক্তার কিন্তু এটাও বলেছে তোমার ছেলের কোনো রোগ নেই, আর তুমিই ভেবে দেখো যে মানুষের শরীরে কোনো রোগ নেই সেই মানুষ বার বার কেনো এমন অসুস্থ হয়ে যাবে..?
চিত্রা:- হ্যাঁ আম্মু উনি ঠিকই বলছে তুমি নাহয় একবার সামিদ কাকুকে ডেকে আনো
তারপর আম্মি চিত্রা আপুনি এক কোণে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললো...
আম্মু:- তুই ভুলে গেছিস, ইকবাল যখন আমার উপর বাণ মেরেছিলো তখন সামিদ ভাই আর হাকিম ভাই ওকে সাহায্য করেছিলো..?
এতকিছুর পরও আমি ওই সয়তানের কাছে সাহায্য চাইতে যাই কিভাবে..?
চিত্রা:- আহা আম্মু ওরা যেমন মানুষের ক্ষতি করেছে তেমনই উপকারও তোহ করে, তুমি আগের সব কথা ভুলে তুমি হাসমি ভাইয়ার জন্য হলেও একটু যাও...
আম্মু:- আচ্ছা ঠিক আছে তোর আব্বুকে পাঠাচ্ছি...
চিত্রা আপুনির সাথে কথা বলে আম্মু আব্বুকে খুঁজতে থাকে কিন্তু আব্বুকে সারা বাড়ি ডেকেও খুঁজে পাচ্ছিলাম নাহ......