প্রাপ্তি (প্রথম অধ্যায়) — পর্ব ০৫
লেখক: বিনতে ফিরোজ · বিভাগ: ইসলামিক · পর্ব ০৫ · ৪৫ পর্বের মধ্যে ৫
শহরের এক প্রান্তে অবস্থিত তিন তলা বাড়ির দোতলায় যেন মানুষের ছোটখাট একটা ঢল নেমেছে। হবেনা? ইয়াসির বাড়ির বড় ছেলের বিয়ে বলে কথা! বাবা-মা দুই দিকের আত্মীয়, সাথে তাদের ছেলেমেয়ে। কিছুক্ষণ আগেই আবার বৌ ভাতের আয়োজনে শামিল হয়েছে মাহিবার বাবার বাড়ির লোকজন। লোকে লোকারণ্য মহল। সালেহা বেগমের একার পক্ষে সব দিক সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন মধ্য বয়স্ক মহিলা। বোনেরা আর দেবরটা সাথে আছে বলেই কিছু বাঁচা। কাল থেকে মৃত স্বামীকে ক্ষণে ক্ষণে মন পড়ছে। এই দিনটা নিয়ে কত স্বপ্নই না দেখেছিলো মানুষটা! দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফের অতিথি আপ্যায়নে মন দেন। ক্ষণকাল পরই ছুটে ঘরে যান। আলমারিতে কাপড়ের ভাঁজে থাকা ফটোফ্রেমটা সযতনে আঁচল দিয়ে মোছেন।
- আপনার আহমাদের বিয়ে দিয়ে দিলাম ইয়াসির সাহেব। আপনি এলেন না কেনো?
টুপ করে এক ফোঁটা অশ্রু ঝরে পড়ে। ডাক আসলে তড়িঘড়ি করে ছবি আবার আগের জায়গায় রেখে অধরে রেখা টানেন। স্মৃতিকে যত্নে রেখে সময়ের অবগাহনে পা মেলান।
নিয়মানুসারে আজকে আহমাদ আর মাহিবা যাবে মাহিবার বাবার বাড়িতে। বৌ ভাতের আয়োজন শেষ হতেই সালেহা বেগম তাড়া দেন মাহিবাকে গুছিয়ে নিতে।
- কিরে তৈরি হয়ে নে। সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে তো।
থেমে আবার বলেন,
- তোকে তুই করে বলছি বলে রাগ করছিস নাকি?
প্রসন্ন কণ্ঠে উত্তর দেয় মাহিবা,
- না মা, কি যে বলেন! আদর করে যা ডাকবেন তাতেই শান্তি।
স্বস্তির হাসি হাসে সালেহা বেগম।
- আচ্ছা শোন! যে গয়নাগুলো এ বাড়ি থেকে দেওয়া হয়েছে, সবগুলো পড়ে যাবি ঠিকাছে?
বাধ্য মেয়ের মত ঘাড় কাত করে মাহিবা। এরই মাঝে ঘরে প্রবেশ করেন শেফালী বেগম। বউ শাশুড়ির কথার মাঝেই বলেন,
- কি গো বউমা, তোমার মামা শ্বশুর, খালু শ্বশুর, চাচা শ্বশুর সবাই বসে আছে। তাদের সাথে তো দেখা করলে না একবারও। যাওয়ার আগে দেখা করে যেও।
ইতস্তত করে মাহিবা।কিছু বলতে যাওয়ার আগে শাশুড়ির দিকে তাকায়। নীরব সম্মতি দেন সালেহা।
- খালামণি উনারা তো আমার গায়রে মাহরাম। উনাদের সাথে দেখা দেয়া হারাম।
ঈষৎ বিরক্ত কণ্ঠে শেফালী বলেন,
- সে আমি জানি তোমার হুজুর হওয়ার কথা। যাওয়ার সময় বোরখা টোরখা গায়ে দিয়ে একটা সালাম দিয়ে গেলেই হলো। আর কিছু করা লাগে না। ওরাও বসে নেই তোমার সাথে খোশ গল্পে করার জন্য।
কথার ঝাঁঝে বিক্ষিপ্ত হয় কোমল মন। সালেহা বলেন,
- সে দেখা যাবে। যা তো মাহিবা আগে গোছানো শুরু কর।
শাশুড়ির কথা অনুযায়ী গোছগাছ শুরু করে মাহিবা। যাওয়ার কালে সকলকে সালাম দিয়ে চলে যেতে নিলেই আবার জেকে ধরেন শেফালী।
- এ আবার কেমন ধারার ভদ্রতা? শ্বশুরদের সামনে মুখ ঢেকে চলে যাচ্ছো কেনো? মুখ খুলে কথা বলো।
অপেক্ষা করে মাহিবা। শাশুড়ি বা আহমাদ কেউ কিছু না বললে নিজেই শান্ত অথচ দৃঢ় কণ্ঠে বলে,
- উনারা আমার জন্য গায়রে মাহরাম খালামণি। উনাদের সামনে আমার পর্দা করা ফরয।
রাগান্বিত মুখশ্রী করে শেফালী উত্তর দেন,
- আমাকে পর্দা শেখাও? পর্দা আমিও করি। দুই দিনের মেয়ে এসেছে আমাকে পর্দা শেখাতে। কেমন বউ আনলি সালেহা? বড়দের সম্মান করতে জানে না। এই মেয়ে বড়দের যে সম্মান করতে হয় এটা জানোনা? নাকি খালি ঘোমটা দিয়ে বসে থাকার কথাই জানো?
এই মুহূর্তে ভালো কথা বললেও যে শেফালী বুঝবেননা সেটা বুঝতে পেরেই চুপ থাকে মাহিবা। কষ্ট লাগলো ওর ব্যক্তিগত পুরুষটা ওর হয়ে কিছু বললো না। তবে সালেহা বলে উঠেন,
- আপা বাদ দাও না। এসব তো আগে থেকেই জানতে তাহলে এখন আবার এসব কেনো?
শিউলিও সায় দেন মেজো বোনের কথায়,
- হ্যাঁ বড়ো আপা থামো তো। যাওয়ার সময় এমন কোরো না!
সালেহা,শিউলির কথাকে অগ্রাহ্য করে মাহিবা কে চুপ থাকতে দেখে শেফালী আরো যোগ করেন,
- আমার ছেলের বউকে দেখেছো? তোমার মত না। বড়দের সাথে কথা বলতে জানে। অসামাজিক মেয়ে কোথাকার!
না থেমে মাহিবার ননদ, আহমাদের ছোট বোন, আফিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
- দেখিস আফিয়া, তোর হুজুরনি ভাবির সাথে থেকে থেকে আবার এরকম হয়ে যাস না।
উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়া আফিয়া উত্তরে মুখ বাঁকিয়ে বলে,
- এসব হুজুরদের আমার একটুও পছন্দ না। যত নষ্টের গোড়া। বোরখার নিচে দিয়ে যত আকাম কুকাম।
ধমকে উঠে আহমাদ। ঘর থেকে বের হতেই একবার মেজাজ খারাপ হয়েছে। এই মেয়ের খ্যাত পোশাক আশাক দেখে মেজাজ আর ঠিক ছিলো না। সকালে মেয়েটার জন্য যতটা মনে জায়গা তৈরি হয়েছিল সেটা যেনো এক নিমিষেই গায়েব হয়ে গেছে। তবে একটা জিনিস আহমাদ খেয়াল করলো। এতদিন তার ধারণা ছিল যেকোনো মতের, যেকোনো চিন্তার মানুষকে সে সম্মান করতে পারে, শ্রদ্ধার চোখে দেখতে পারে। কিন্তু মাহিবার পোশাকের প্রতি বিরক্তি তাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সে ততক্ষণই কাউকে শ্রদ্ধা করতে পারে যতক্ষণ তার অবলম্বন করা মত, পথ তার পছন্দ হয়। অন্যথা নয়।
নিজের নতুন দিক আবিষ্কার করা আহমাদ আফিয়ার কথায় বেজায় চটে গেলো। যত যাই হোক, সে তো ছোট বোনদের বেয়াদবি শিক্ষা দেয়নি!
- এসব কি ধরনের কথা আফিয়া? ও বয়সে তোর থেকে বড়। সম্মান দিয়ে কথা বলবি!
- এসেই আমার ভাইটাকে হাত করে নিয়েছে।
মুখ লটকে বিড় বিড় করে আফিয়া।
সালেহা বেগম বলেন,
- আহ আপা! কি শুরু করলে? বিয়ের কথাবার্তা হওয়ার সময়ই তো ও বলেছিল এরকম পর্দা করে। তাহলে আবার কি হচ্ছে? তুমিও তো জানতে এই কথা।
- থাক আমাকে থামিয়ে লাভ নেই। তোরা মা ছেলে দেখ কতদিন এই মেয়ে ভালো থাকে।
মনের কষ্ট চেপে রেখে চুপ থাকে মাহিবা। সবার হিদায়াতের দুয়া করে। সালেহা আবার তাড়া দিতেই যেতে গেলে ছুটে এসে মাহিবাকে জাপটে ধরে আহমাদের আরেক ছোটো বোন আয়িশা।
- ভাবিমণি আমাকে নিয়ে যাও না।
সালেহা না না করে উঠে বলেন,
- কালকে না গেলি আজকে আবার কি! পড়াশোনা লাটে উঠেছে তোমার! আজকে থেকে পড়তে বসবে। যেতে দাও ওদের।
- সমাপনী পরীক্ষা উঠে গেছে মা। অত চিন্তা নেই। ভাবিমণি তো কালকেই চলে আসবে। যাই না, এমন করো কেনো?
বলা বাহুল্য দশ বছর বয়সী আয়িশা পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সমাপনী পরীক্ষা পদ্ধতি বন্ধ হওয়ার সুযোগ মোক্ষম ভাবে ব্যবহার করতে চাচ্ছে মেয়েটা।
মাহিবার দিকে তাকিয়ে আবার বলে,
- আমাকে নিবে না ভাবিমণি?
মেয়েটা এত সুন্দর করে "ভাবিমণি" ডাকে! কে জানে কোত্থেকে শিখেছে! এসে থেকে তার ন্যাওটা। আয়িশাকে জড়িয়ে ধরে শাশুড়ির উদ্দেশ্যে বলে,
- যাক না মা। আমি দেখে রাখবো ইনশাআল্লাহ। নিয়ে যাই?
আয়িশাও মাথা নাড়িয়ে বলে,
- হ্যাঁ হ্যাঁ নিয়ে যাক?
হেসে ফেলেন সালেহা। দুটোই বাচ্চা। অনুমতি দেন যেতে।
তবে সাবধান করে দেন,
- একদম দুষ্টুমি করবি না যেনো।
হাসিমুখে মাথা নাড়ায় আয়িশা।
- একদম ভালো থাকবো না।
পরপরই জিভে কামড় দিয়ে বলে,
- এই থুক্কু থুক্কু। একদম দুষ্টুমি করবো না।
হেসে উঠে সকলে। ভারী পরিবেশ হালকা হয়ে যায় নিমেষে।
আহমাদ মাকে সালাম দিয়ে এগিয়ে যায়। পিছে পিছে আসে মাহিবা আর আয়িশা।
- যাবি কীসে আহমাদ? প্রাইভেট তো নিলি না।
ছোট চাচার ডাকে পেছন ফিরে চায় আহমাদ। চাচাকে একবার দেখে মাহিবার দিকে দৃষ্টি ফেরায়। স্পষ্ট কণ্ঠে বলে,
- যে প্রাইভেট চাচ্চু দিতে চাচ্ছে সেটা আমার না। চাচ্চুর। গতকাল সেটাতে করেই আপনাকে নিয়ে এসেছি। কাল যার বাড়িতে গেছিলাম সে আমার কিছু ছিলো না। কিন্তু আজ যাকে আপনি স্বামী বলে মেনে নিয়েছেন তার নিজস্ব কোনো গাড়ি নেই। আমি দ্বিতীয়বার চাচ্চুর গাড়ি নিতে চাচ্ছি না। আমি লোকাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করবো। আপনার কি কোন সমস্যা আছে? থাকলে আপনার আর আপনার বাড়ির সকলের জন্য চাচ্চুর গাড়ি এভেইলএবেল।
বেশ খানিকক্ষণ আগে থেকেই আহমাদের মেজাজের বিরূপ আবহাওয়া সে লক্ষ্য করছে। কারণ ধরতে না পারলেও জিজ্ঞেস করার সুযোগ হয়নি। দৃঢ় কণ্ঠের প্রত্যেকটা কথা শোনে মাহিবা। কথার ভাঁজে লুকিয়ে থাকা আত্মসম্মান তাকে অভিভূত করে। অভিভূতের মতই বলে,
- আপনি আমাকে যেভাবেই রাখবেন আমি সেভাবেই থাকবো। আমি আপনার জীবনসঙ্গী। জীবনের প্রত্যেকটা পরতেই আমাকে পাশে পাবেন ইনশাআল্লাহ।
পুরো কথা সবাই না শুনলেও মাহিবার সম্মতি বুঝতে পারে। কাছে থাকা শেফালী বেগম মুখ বাকাঁন। এসব তার কাছে আদিখ্যেতা। বর কাউকে ধার ধারে না আবার সাথে এসে জুটেছে অমন বউ। ভালোই!
প্রসন্ন হন সালেহা বেগম এবং শিউলি বেগম। আরেকটা মনও একটু নরম হলো বোধহয়!
_________________________________
সি এন জি এগিয়ে চলেছে নিজস্ব গতিতে। আহমাদ আর মাহিবার মাঝে বসে আছে আয়িশা। একসময় আহমাদকে জিজ্ঞেস করে,
- দাদাভাই তুমি কি তখন বোবা হয়ে গেছিলে?
বোনের প্রশ্নে ধ্যান ভাঙ্গে আহমাদের। বাইরে থেকে দৃষ্টি সরিয়ে আয়িশার দিকে তাকিয়ে বলে,
- কিসের কথা বলছিস? কখন বোবা হয়ে গেছিলাম?
- বড়ো খালামণি যখন এত্তোগুলো কথা বললো ভাবিমণি কে, তখন?
আমতা আমতা করে আহমাদ বলে,
- আমি কি বলতাম তখন?
- শোনো দাদাভাই আমি এখন বড়ো হয়ে গেছি। ফাইভে পড়ি। এইজন্যেই বুঝতে পেরেছি। তখন তুমি কেনো বড়ো খালামণিকে বকতে না করলে না? তুমি না ভাবিমণির বর?
ছোট বোনের এমন কথায় থমকে যায় আহমাদ। তার কি সত্যিই কিছু বলার ছিলো?
উত্তর না পেয়ে শিশুমন আবার শুধায়,
- আচ্ছা দাদাভাই আমাকে কেউ এভাবে বকলেও তুমি চুপ থাকতে?
তৎক্ষণাৎ মাহিবার জায়গায় আয়িশা চলে আসে কল্পনায়। তার ছোট বোনকে কেউ অপমান করছে এটা চিন্তা করেই যেনো মাথা গরম হয়ে আসে। কিন্তু বোনের প্রশ্নের বিপরীতে উত্তর হিসেবে কিছুই পায় না।
ভাইয়ের এমন নীরবতায় বিরক্ত হয় ছোট্ট মন। ভাবিমণির দিকে ঘুরে বলে,
- থাক ভাবিমণি মন খারাপ কোরো না। এরপর তোমাকে কেউ কিছু বললে আমি বকে দেব। ঠিকাছে?
এতক্ষণ সব কথা মনোযোগী হয়ে শুনছিল মাহিবা। ছোট্ট এই মেয়েটার মাথায় কি গভীর চিন্তা! এক কথায় ভাইকে কত কিছু বুঝিয়ে দিলো! মন খারাপের মেঘ কেটে গিয়ে গভীর আনন্দ জায়গা করে নেয় মনে। আল্লাহ তাকে একটা ফুলের কুঁড়ি দিয়েছেন। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে একদিন এই কুঁড়িই পবিত্র ফুল হয়ে প্রস্ফুটিত হবে ইনশাআল্লাহ।
আয়িশাকে জড়িয়ে নিয়ে বলে,
- এমন একটা ননদিনী থাকতে মন খারাপ হবে কিভাবে আয়িশু!
দ্বিমত করে উঠে আয়িশা,
- না না আমি আয়িশু না আয়িশা, আয়িশা।
- আমি জানি তো। কিন্তু জানো আমাদের নবীজী (সাঃ) এর একজন স্ত্রীর নাম ছিলো আয়িশা। নবীজি তাকে ভালোবেসে ডাকতেন আয়িশু। তাই আমিও তোমাকে এটা ডাকলাম। তোমার ভালো লাগে নি?
বিস্মিত হয় আয়িশা। বিস্ময় ভরা কণ্ঠে বলে,
- আল্লাহ! আমার নাম নবীজী বলেছে! নবীজির নিজের মুখ দিয়ে! আল্লাহ! আবার আদর করে, সুন্দর করেও ডেকেছে?
এতক্ষণ শোনাশুনির এই পর্যায়ে আহমাদ বলে,
- তোকে বলেনি, উনার স্ত্রী কে বলেছে।
ভাইয়ের এই কথা পাত্তা না দিয়ে আয়িশা বলে,
- যাকেই বলুক নামটা তো বলেছে। আমার নামটাই বলেছে। আল্লাহ কি ভালো!
পরক্ষনেই আবার বলে,
- এই দাদাভাই তোমাকে এই নামটা আমাকে রাখার জন্যে আজকের ভুল মাফ করে দিলাম। জীবনে একটা ভালো কাজ করেছো আমার নাম আয়িশা রেখে।
আড়চোখে একবার আহমাদ কে দেখে আয়িশাকে মাহিবা বলে,
- তোমার দাদাভাইয়ের নামের নাম কার ছিলো জানো?
আগ্রহ দেখায় আয়িশা। জিজ্ঞেস করে,
- কার ছিলো?
- নবীজির নিজের। কুরআনে অনেক জায়গায় উনাকে এই নামে ডাকা হয়েছে।
বিস্ময়ের সীমা ছাড়িয়ে যায় আয়িশা। আহমাদকে উদ্দেশ্য করে বলে,
- এরকম একটা নাম নিয়ে তুমি এমন ব্যবহার করো কি করে?
গম্ভীর কণ্ঠে আবার বলে,
-ভালো হয়ে যাও দাদাভাই। ভালো হতে পয়সা লাগে না।
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় আহমাদ। ভালোই চমকাচ্ছে সে আজকাল।
ভাই বোনের অবস্থা দেখে হাসি সামলাতে পারে না মাহিবা। হেসে ফেলে শব্দ করে।
চলমান.
(নবীজির নাম পড়ে আমরা যেনো দুরূদ পড়তে না ভুলি! সল্লল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।)