পুনর্জন্ম (এক প্রেম কাহিনী) — last part 09
লেখক: রিয়াদ ইসলাম আযান · বিভাগ: সিজন সিরিজ · last part 09 · ৯ পর্বের মধ্যে ৯
হানা সেই ভদ্রলোকের কথানুযায়ী পরের দিন সন্ধ্যাবেলা তার দেওয়া থালাটি নিয়ে বের হবে তখনই জিলানী হানাকে বাঁধা দেয় সে যেনো বাড়ি থেকে এক পা-ও নাহ বের হয়।
কিন্তু হানা অনেক জোড় জবরদস্তি জিলানীর হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে বেড়িয়ে আসে।
তারপর হানা সেই থালাটিতে পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ খাবার পানি রেখে কেনানের আত্মাকে আহ্বান করে।
কিছুক্ষণ পরেই সেখানে প্রচন্ড বেগে তুফান শুরু হয় তারপরই সেখানে কেনানের উপস্থিতি হয়।
কেনানের উপস্থিতির ফলে ওই থালাতে রাখা পানিও বিষাক্ত হয়ে যায়।
কেনানের উপস্থিতি দেখে হানা দৌড়ে গিয়ে সেই পানি পান করে এটা দেখে কেনান ঘাবড়ে যায় এবং ছুটে যায় হানার কাছে কিন্তু ততক্ষণে হানার অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে গেছে।
কিন্তু হানা হাল ছাড়ে নাহ, সে ওই ভদ্রলোকটির কথানুযায়ী কেনানকে কথায় আটকে রাখার চেষ্টা করছিলো....
হানা:- আমাকে ক্ষমা করে দিও কেনান, জায়দাদ আর ক্ষমতার লোভ আমাকে এতটাই নিচে নামিয়ে ছিলো যে আমি প্রকৃত ভালোবাসাই বুঝতে পারিনি।
আমাকে আবারও ক্ষমা করে দিও, কারণ আমি তোমাকে দেওয়া কথা রাখতে পারিনি, আমি বলেছিলাম তোমাকে ছাড়া আর কাউকে নিজের স্বামী বলে স্বীকৃতি দেবো নাহ কিন্তু আমি জিলানীকে বিয়ে করেছি, দয়া করে আমাকে মাফ করে দিও।
কেনান:- আজ এবং এখন থেকে আমি তোমাকে অভিশাপ দিলাম তুমি কোনোদিন নিজের জীবনে প্রকৃত ভালোবাসা পাবে নাহ এমনকি কোনোদিন কোনো পুরুষ তোমাকে ভালোবাসবে নাহ। শুধু এই জন্ম নাহ কোনো জন্মেই তুমি তোমার ভালোবাসা পারে নাহ।
হানা:- দয়া করো আমাকে এই অভিশাপ দিও নাহ।
এই বলে হানা সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ঠিক তখনই কেনানও খুব জোড়ে বিকট শব্দে চিৎকার দিয়ে উঠে...
কেনান পিছনে তাকাতেই দেখে সেই ভদ্রলোকটি নিজের সর্বস্ব দিয়ে কেনানের আত্মাকে মুক্তি করার চেষ্টা করছে।
তারপর সেই ভদ্রলোকটি কেনানের মাথায় আল্লাহর পবিত্র কোরআনের কিছু অংশ জোড়ে চেপে ধরে ফলে সেখানেই কেনান নিঃশক্তি হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয় এবং ওর আত্মার মুক্তির সাথে সাথে পাহাড়িতলা গ্রাম আবারও আগের মতো জনবহুল হয়ে যায়, চারিদিকে সবুজ আর সবুজ, পাহাড়ি ঝর্ণা, নদীনালা, খালবিল, সবকিছু আগের মতো সতেজ হয়ে যায়।
ভদ্রলোকটি নিজের কাজ করে চলে যাচ্ছিল তখনই আপনার পর দাদা হেলাল খান লোকটিকে আটকায়...
হেলাল:- কে আপনি..? আর কেনোই বা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের গ্রাম রক্ষা করলেন..?
ভদ্রলোক:- আমি মেশবার আলী! আমি একজন ইমাম, আমাকে স্বপ্নযুগে বিভিন্ন জায়গার বিপদাত্মি দেখানো হয় এবং কিভাবে সেই জায়গাটি বিপদমুক্ত করা যায় তার উপায় বলে দেওয়া হয়। আর আপনাদের গ্রামের বিপদও আমাকে স্বপ্নে দেখানো হয়েছিল এজন্যই আমি আপনাদের সাহায্য করেছি এটা আমার কর্তব্য।
হেলাল:- আপনি চাইলে আমাদের গ্রামে থেকে যেতে পারেন..?
মেশবার আলী:- থেকে গিয়ে কি করবো..?
হেলাল:- আমরা আপনার উপকার সরূপ আমাদের গ্রামে আপনার নামে একটি মসজিদ স্থাপন করতে চাই এবং সেই মসজিদের ইমাম হবেন আপনি দয়া করে নাহ করবেন নাহ.!
মেশবার আলী:- আচ্ছা আপনারা যখন এত করে বলছেন আমি আর নাহ করবো নাহ।
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- সেই মেশবার আলী ছিলো আমার দাদা, তিনি মারা যাওয়ার আগে আমার পিতাকে এই গ্রামের দায়িত্ব দিয়ে যান এবং আমার পিতা মারা যাওয়ার আগে আমাকে।
আমি:- আমার তোহ আগের জন্মের কথা সবটাই মনে পড়লো, কিন্তু হানার এমন অবস্থা হলো কিভাবে, ও তোহ সেদিনই মারা গিয়েছিলো তাহলে আবার প্রেতাত্মা হয়ে ফিরে এলো কিভাবে তাও আবার এত বছর পর...?
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- ভুল এত বছর পর নয়, হানা সেদিনের ২ বছর পরই ফিরে এসেছিলো.!
আমি:- মানে.? কিভাবে.?
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- ওইদিনের পর গ্রাম আবার আগের মতো হয়ে যায়, বহুদিন এভাবেই গ্রামে সুখ শান্তি ছিলো কিন্তু একদিন...
একদিন রাতে জিলানী নিজের কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলো তখন দেখে রাস্তায় একজন মহিলা কান্না করছে, সে মহিলাটির সামনে গিয়ে জিজ্ঞেস করে তার কি হয়েছে..?
মহিলাটি মুখ তুলতেই জিলানী চমকে যায় কারণ সেই মেয়েটি ছিলো হানা....
হানা জিলানীর দিকে তাকিয়ে হাসছে, হঠাৎ করে হানা বাসাতে উড়তে লাগে এটা দেখে জিলানী বলছে...
জিলানী:- কি চাও তুমি..? তুমি তোহ মারা গেছো তাহলে কেনো ফিরে এসেছো আবার..?
হানা:- তুই হ্যাঁ তুই, তুই এর জন্য দায়ী, তোর জন্য কেনান আমাকে অভিশাপ দিয়েছে যার জন্য আজ আমার এই অবস্থা, তোর কোনো ক্ষমা নেই.!
তোর শাস্তি একটাই মৃত্যু.!
এই বলে হানা জিলানীকে সেখানেই হত্যা করে...
আমি:- আচ্ছা হুজুর সাহেব জিলানীও কি আবার জন্ম নিয়েছে..?
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- রনিই হচ্ছে জিলানী.!
আমি:- কি.! রনিই তাহলে জিলানী.!
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- হ্যাঁ.! এজন্যই বলেছিলাম আপনার বন্ধুই হবে আপনার বিপদের কারণ.!
রনির আপনার আগেই আগের জন্মের কথা মনে পড়েছিলো যার ফলে আপনারা গ্রাম থেকে চলে গেলেও সে তৌহিদকে নিজের দলে টেনে গুপ্তধনের লোভ দেখিয়ে বলায় তারা আরো পরে গ্রাম থেকে যাবে।
তারপর তৌহিদ আর আব্রাহামকে কালো জাদু করে সেই বটগাছের সামনে গিয়ে হানাকে মুক্তি করে দেয় এবং হানার শিকার হিসেবে তৌহিদ আর আব্রাহামকে উৎসর্গ করে।
আমি:- এতক্ষণে আমার কাছে সবটা ক্লিয়ার হলো বাট হানাকে ওই বটগাছে কে বা কিভাবে বন্দী করেছিলো..?
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- হানাকে আপনার পর দাদা হেলাল খান আমার দাদার সাহায্য নিয়ে ওই বটগাছে বন্দী করেছিলো।
আমি:- কিভাবে..?
মাওলানা আলতাফ সাহেব:- ওইদিন হানা ডায়নী হওয়ার পর জিলানীকে হত্যা করে তারপর থেকে প্রতিদিন গ্রামের একজন করে যুবক নিখোঁজ হয়ে যায় এবং পরদিন সকালে তাদের ওই বটগাছের ডালে ফাঁসিরত অবস্থায় পাওয়া যায়।
এভাবে আবারও গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে থাকে...
তখন তোমার পর দাদা ছিলো এই গ্রামের জমিদার, তার জমিদার হওয়ার পূর্বে তার বড় ভাই কেনান খান ছিলো এই গ্রামের শ্রেষ্ঠ জমিদার কিন্তু তার অকাল মৃত্যুর পর গ্রামের দায়িত্ব হেলাল খানের উপর যায়।
গ্রামের জমিদার হওয়ার কারণে তাকেই এর সমাধান খুঁজতে হয়...
সে আমার দাদার কাছে যায়...
হেলাল:- মেশবার আলী যেভাবেই হোক একটা উপায় বের করতে হবে এই গ্রামকে ওই ডায়নীর হাত থেকে রক্ষা করতেই হবে...!
মেশবার আলী:- আমি যা ভাবছি সেটা করতে হলে ওই ডায়নীকে বন্দী করা যাবে, কিন্তু...
হেলাল:- কিন্তু কি..?
মেশবার আলী:- কিন্তু যেকোনো একজন পুরুষকে নিজের জীবন বিসর্জন দিতে হবে...
হেলাল:- তাহলে আর দেড়ি কিসের আমি দেবো আমার জীবন বিসর্জন...
মেশবার আলী:- কি বলছেন এসব আপনি এই গ্রামের কর্তা, আপনার কিছু হলে এই গ্রামের কি হবে...
হেলাল:- তুমি চিন্তা করো নাহ সব ঠিক হয়ে যাবে... তুমি শুধু উপায় বলো...
মেশবার আলী:- আপনাকে ওই ডায়নীকে প্ররোচন দিয়ে সামনে আনতে হবে, যেহেতু সে প্রেম প্রেয়সী ডায়নী গ্রামের যুবক ছেলেদের সাথে যৌন মিলন করার পর তাদের মেরে ফেলে তাহলে আপনাকেও সেই একই রাস্তা অবলম্বন করতে হবে...
ওকে আপনার সাথে যৌন মিলন করারা জন্য প্ররোচিত করবে যাতে ও আপনার সামনে সামনে আসে...
হেলাল:- আচ্ছা তারপর কি করবো..?
মেশবার আলী:- দাঁড়ান আগে ওর ব্যবহৃত কোনো একটা জিনিস আমার কাছে এনে দিন...
তারপর হেলাল খান হানার বাড়ি থেকে হানার ব্যবহৃত চুলের কাঠিটা মেশবার আলীর কাছে নিয়ে যায়...
মেশবার আলী:- এই চুলের কাঠিটা আপনার এমন একজন বিশ্বস্ত মানুষের কাছে দিবেন যে যুগ যুগ পর্যন্ত এটা সামলে রাখতে পারবে...
হেলাল:- কিন্তু কেনো..?
মেশবার আলী:- কারণ আজকে আপনি এই ডায়নীকে হত্যা করতে পারবেন নাহ তবে বন্দী করতে পারবেন...
এই ডায়নীর হত্যা একমাত্র আপনার ভাই কেনান খানই করতে পারবে...
হেলাল:- কিন্তু আমার ভাই যে মারা গেছে আরো আড়াই বছর আগে.?
মেশবার আলী:- সে দ্বিতীয়বার জন্ম নেবে, এই গ্রামে তাকে আবার ফিরতে হবে তার অসমাপ্ত কাহিনি সমাপ্ত করতে।
হেলাল:- আচ্ছা ঠিক আছে। এবার আপনি উপায়টা বলুন তারপর ওকে সামনে আনার পর কি করবো..?
মেশবার আলী:- ডায়নীটা আপনার সামনে আসার পর আপনি ওর দিকে এই পবিত্র জমজমের পানি ছিটিয়ে দিবেন তারপর বাকি কাজটা আমি করবো...
হেলাল:- আপনাকে কিছু করতে হবে নাহ, আপনি আমাকে বলুন আমিই সবটা করবো..!
মেশবার আলী:- নাহ, এর পরের কাজটুকু অনেক বিপদজনক আপানর জীবন সংশয় হতে পারে।
হেলাল:- হোক তবুও আমি এই কাহটুকু করবো...
মেশবার আলী:- ঠিক আছে তবে শুনুন...
ওর দিকে জমজমের পানি ছিটিয়ে দেওয়ার পর ওয় পাগলের মতো যন্ত্রণায় ছটফট করবে তখন ও আপনাকে আঘাত করবে আপনি আপনার রক্ত এই মাটির পাত্রটার ভিরতে ফেলবেন তখন সাথে সাথে ওই ডাইনীটাও মাটির পাত্রে বন্দী হয়ে যাবে....
মেশবার আলীর কথা মতো পরদিন মাঝ রাতে হেলাল খান হানাকে আহ্বান করে নিজের সাথে যৌন মিলন করতে...
হানাও তার ডাকে সাড়া দিতে চলে আসে....
হানা তার সামনে যেতেই সে হানার দিকে জমজমের পানি ছিটিয়ে দেয় এবং হানা অসহ্য যন্ত্রণায় নিজের বড় বড় নখ দিয়ে হেলাল খানের পেটে ঢুকিয়ে দেয়, পেট থেকে নখগুলো বের করে এবার গলায় আঘাত করে...
কিন্তু হেলাল খানও নিজের জীবনের কথা চিন্তা নাহ করে নিজের রক্ত সেই পাত্রটাতে ফেলে এবং সাথে সাথে হানার অতৃপ্ত আত্মা সেই পাত্রে বন্দী হয়ে যায়।
হানা পাত্রটাতে বন্দী হওয়ার সাথে সাথে হেলাল খান পাত্রের মুখ আটকে দিয়ে সেখানেই নিজের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
পরদিন গ্রামে আবারও শোকের ছায়া নেমে এলো...
মেশবার আলী সবাই শান্তনা দিয়ে সেই ঘট'টিকে বটগাছের ডালে বেঁধে রেখে বটগাছটি বিভিন্ন শক্তির মাধ্যমে সুরক্ষিত করে রাখে এবং জায়গাটিকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করে দেওয়া হয় যাতে কেউ এটা নষ্ট করতে নাহ পারে।
তারপর থেকে ঘটনা আজকের দিনে এসে আটকালো।
আলতাফ সাহেব নিজের কথা শেষ করতে করতে কেউ একজন পিছন থেকে আমার মাথায় কিছু একটা দিয়ে আঘাত করে, সাথে সাথে আমি জ্ঞান হারাই।
আমার জ্ঞান ফিরতেই দেখি আমাকে কেউ সেই বটগাছের সাথে বেঁধে রেখেছে, এবং আমার সামনে রনি বসে কালো জাদু করছে আর রিশা স্থির হয়ে বসে আছে, রিশা কোনো নড়াচড়া করছে নাহ।
রনি:- এই তোহ আর কিছুক্ষণ, কিছুক্ষণ পরই হানা সারাজীবনের জন্য রিশার শরীরে থেকে যাবে আর কেউ হানাকে রিশার শরীর থেকে আলাদা করতে পারবে নাহ.! হা! হা! হা!
আমি রনিকে উদ্দেশ্য করে বললাম...
আমি:- যদি কারো সাহস থাকে তাহলে আমাকে বাঁধ মুক্তি করুক, লড়াই হবে দেখি কার কত জোড়।
আমি জানতাম রনির নিজের শক্তির উপর অনেক অহংকার ছিলো সে নিশ্চয়ই ভুল পদক্ষেপ নিবে।
ঠিক, আমি ঠিক ভেবেছিলাম, রনি ভুল পদক্ষেপটাই নিলো, সে আমাকে বাঁধ মুক্ত করে দিলো।
আমাকে বাঁধ মুক্ত করার পর পরই আলতাফ সাহেব দৌড়ে এলেন...
আলতাফ সাহেব:- সাব! চুলের কাঠিটা ওইখানেই পড়ে ছিলো, আমি নিয়ে এসেছি...
আমি দৌড়ে গিয়ে মাওলানা সাহেবের হাত থেকে কাঠিটা নিলাম রনিও তার দিকে ছুটে গিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে মারতে থাকে।
আমি ছুটে গিয়ে রিশার বুকের বাম পাশে সেই কাঠিটা গেঁথে দিলাম সাথে সাথে ওই জায়গায় তুফান শুরু হলো...
মনে হলো এক অশুভ শক্তির বিনাশ হলো...
কিন্তু তখনই রিশা ছটফট করছে আমি তাকে আমার বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে আছি কিছুক্ষণ পর রিশাও আমার বুকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে পরলোক গমন করলো।
আমি রাগে হাতে দা'টা নিয়ে পিছন থেকে রনিকে একটা কোপ দি রনিও সেইখানেই মৃত্যু বরণ করে।
তারপর আলতাফ সাহেবকে জিজ্ঞেস করলাম সে ঠিক আছে কি নাহ।
এই বলেই আমি কান্না করতে শুরু করি, আজ আমি সব হারালাম, একটা জ্বেদের জন্য সবাইকে হালরালাম, প্রতিটা প্রিয় মানুষকে হারালাম।
আমার সাথেই কেনো এমনটা হলো.?
কি দোষ করেছিলাম আমি.?
এত কষ্টের মাঝেও একটা শান্তির সুভাষ পাচ্ছিলাম যেনো আজ সকল অশুভ শক্তির বিনাশ করতে পেরেছি।
The End....