নৃত্যশিল্পী
লেখক: রিয়াদ ইসলাম আযান · বিভাগ: অণুগল্প
ঘটনাটি ঘটে আমার এক দুঃসম্পর্কের আন্টির সাথে। তার নাম শিউলি, যখন তিনি ২০ বছর বয়সী ছিলো তখনকার ঘটনা। তার পিতা [ মোবারক আলী ] একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় ট্রান্সফার হতে হয় শিউলি আন্টির পিতাকে।
ঘটনাটি ঘটে আমার এক দুঃসম্পর্কের আন্টির সাথে। তার নাম শিউলি, যখন তিনি ২০ বছর বয়সী ছিলো তখনকার ঘটনা। তার পিতা [ মোবারক আলী ] একজন সরকারি চাকুরিজীবী ছিলেন। কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় ট্রান্সফার হতে হয় শিউলি আন্টির পিতাকে।
প্রতিবারের মতো এবারও শিউলি আন্টির পিতাকে কাজের জন্য ট্রান্সফার করা হয়, ভালুকা শহর। সেই শহরের কোনো এক গ্রামে তারা খুব কম খরচের মধ্যে একটা বসতবাড়ি পেয়ে যায়।
এখানে এসে শিউলি আন্টিকে ইউনিভার্সিটি ফার্স্ট ইয়ারে এবং তার ভাই মাসুমকে ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে ভর্তি করে দেয় তাদের পিতা মোবারক আলী। বাড়িতে উঠেছে আজ তাদের ৭ দিন। দুপুরে সবাই বাসায় যে যার মতো কাজ করছে হঠাৎ সবাই খেয়াল করে শিউলি আন্টি ইউনিভার্সিটি থেকে দৌড়ে এসে তার ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছে।
কেউ তেমন পাত্তা দিলো নাহ, কিন্তু তারা আবারও খেয়াল করলো ৩০ মিনিট হয়ে গেলো শিউলি আন্টি দরজা খুলছে নাহ তারা সবাই দজরা ধাক্কাচ্ছে কিন্তু শিউলি আন্টি দরজা খুলছে নাহ । এর কিছুক্ষণ পর তার ছোট ভাই মাসুম জানালা দিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে তাকিয়ে দেখে শিউলি আন্টি ঘরের দরজা বন্ধ করে সাজুগুজু করছে। হঠাৎ শিউলি আন্টি দরজা খুলে বাইরে এসে সবাইকে বলে...
শিউলি আন্টিঃ- কি হয়েছে..?
শিউলি আন্টির মাঃ- তুই দরজা বন্ধ করে কি করছিলি.?
শিউলি আন্টিঃ- কিছু নাহ [ একটু রাগী কণ্ঠে ]
বিকেলে যখন সবাই শিউলি আন্টিকে জিজ্ঞেস করে সে দরজা বন্ধ করে ভিতরে সাজুগুজু করছিলো তখন শিউলি আন্টির কিছুই মনে ছিলো নাহ।
পরের দিন সন্ধ্যা বেলা একি ভাবে শিউলি আন্টি দৌড়ে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে ভিতরে চলে যায়।
তখন বাসার সবাই ভেতর থেকে একটা সুন্দর ঘ্রাণ পায় ঠিক যেনো বেলি ফুলের।